ধেয়ে আসছে ফণী, প্রস্তুত বাংলাদেশ

ধেয়ে আসছে ফণী, প্রস্তুত বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রামকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর
ফণী মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপ সমূহ-

– দেশের ১৯ উপকূলীয় জেলায় ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত

– উপকূলীয় ১৯ জেলার মোট ৩,৮৬৮টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

– দেশের উপকূলীয় ১৯ জেলায় খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

– সকল জেলা প্রশাসকদের ২০০ মেট্রিক টন চাল, ৪১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ৫ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়েছে

– ফণী’র প্রভাব মোকাবিলা ও জরুরি তথ্য আদান-প্রদানের কন্ট্রোল রুম নম্বর ০২৯৫৪৬০৭২

– ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতের শঙ্কায় সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ, প্রস্তুত নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজ

– দুর্যোগ চলাকালীন বা পরবর্তী সময়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

-ফণী’র পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিআইডাব্লিউটিএ’র সহ সকল সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

সতর্ক থাকুন, সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন

 

 

ঘূর্ণিঝড়ের আগে করণীয়:

১. ঘরগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করে মজবুত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যেমন- মাটিতে খুঁটি পুঁতে দড়ি দিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশ বাঁধতে পারেন।

২.খাবার পানি কলসিতে ভরে ভালো করে ঢাকনা ও পলিথিন দিয়ে বেঁধে মাটিতে পুতে রাখতে হবে।যেন পরবর্তিতে বিশুদ্ধ পানির অভাব না হয়।গাছে ডাব থাকলে তা পেরে রাখুন।এতে অনেক বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাবে।

৩. মাছধরা নৌকা ও ট্রলার এবং মালবাহী লঞ্চের মাঝিমাল্লা ও মালিকদের পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরতদের উচিত নিয়মিত ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক বার্তা জেনে নেয়া।

৪. দুর্যোগকালীন স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।

৫. বিপদ সংকেত পাওয়ামাত্র বাড়ির মেয়ে, শিশু ও বয়স্কদের আগে কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া।
সাথে করে শুকানো খারার সাথে নিয়ে যেতে হবে।

৬.ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে এমন সম্ভাব্য এলাকা স্বাভাবিকের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বসে প্লাবিত হয়। সুতরাং নিচু এলাকায় পাকা দালানে থেকেও বিপদ হতে পারে। তাই আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়া।

৭.দলিলপত্র ও টাকা-পয়সা পলিথিনে মুড়ে নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখা অথবা সুনির্দিষ্ট স্থানে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখা।

৮. কর্তৃপক্ষ সংকেত দেওয়ার পর সরে যেতে বললে দেরি না করে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়া উচিত।

৯. আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার সময় টর্চ লাইট, দেশলাইসহ মোমবাতি, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সঙ্গে নেয়া।

১০.সম্ভব হলে বাড়িতে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম (ব্যান্ডেজ, ডেটল প্রভৃতি) রাখুন।

১১. ঘূর্ণিঝড় প্রচুর বৃষ্টি ঝরায়। প্রবল বৃষ্টিতে পাহাড়ি এলাকায় মাটি সরে গিয়ে সৃষ্টি হতে পারে ভূমিধস, সেই সঙ্গে পাহাড়ি ঢল। এ কারণে পাহাড়ি এলাকায় বেশ কয়েকটি সতর্কতা বজায় রাখতে হবে।

আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন।

নিজে সর্তক হোক এবং অন্যকেও সর্তক করুণ।

সবাই নিরাপদে থাকবেন।

 

My Fiverr profile.

My blog about How to get free food.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *